20 October 2020

বিফলে গেল মুশফিকের সেঞ্চুরি

  • চ্যানেল১৯.নিউজ
  • আপডেট: Friday, October 16, 2020
  • 27 বার

লক্ষ্য খুব একটা বড় নয়, জিততে হলে করতে হবে ২২২ রান। এই রান তাড়া করতে নেমে ৩০ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে নাজমুল একাদশ। এর পর মুশফিকুর রহিম অসাধারণ সেঞ্চুরি করেও দলের হার এড়াতে পারেননি। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে তামিম একাদশের কাছে ৪২ রানে হেরে যান তাঁরা।

মুশফিক চমৎকার ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন। তবে অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১৭৯ রানে ইনিংস গুটিয়ে নেয় নাজমুল একাদশ। তামিম একাদশের হয়ে শরিফুল ৩৭ রানে চার উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ে ধস নামান।

এর আগে প্রথম সারির ব্যাটসম্যানরা অনেকটাই ব্যর্থ। পরে মেহেদী হাসানের দৃঢ়তায় নাজমুল একাদশের বিপক্ষে লড়াকু সংগ্রহ গড়েছে তামিম একাদশ। ৫০ ওভারে নয় উইকেটে ২২১ রান করে তারা।

মেহেদী ৫৭ বলে ৮২ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলে তামিম একাদশকে এই সংগ্রহ গড়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ে নামে নাজমুল একাদশ। ব্যাট হাতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি তামিম একাদশের দুই ওপেনার। দলীয় ১৪ রানে তানজীদ হাসান তামিম বিদায় করেন। দুটি চারে পাঁচ বলে আট রান করেন তানজীদ।

এরপর বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন তামিম ও এনামুল হক বিজয়। কিন্তু ৩০ রানের বেশি জুটিতে যোগ করতে পারেননি তারা। ১২ রান করা বিজয়কে শিকার করে জুটি ভাঙেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

চার নম্বরে নামা মোহাম্মদ মিঠুনও ব্যর্থ হয়েছেন। চার রান করেন। মিঠুনের বিদায়ের কিছুক্ষণ পর থামতে হয় অধিনায়ক তামিমকে। মিঠুনকে আউট করা নাঈম হাসান বিদায় দেন তামিমকে। ৪৫ বলে ৩৩ রান করেন তামিম। ফলে ৬৫ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তামিম একাদশ।

এ অবস্থা থেকে দলকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন দুই মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান শাহাদাত হোসেন দিপু ও মোসাদ্দেক হোসেন। এই জুটি বড় স্কোর করার আভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেননি। ৪০ রান যোগ করেন দিপু ও মোসাদ্দেক জুটি।

দুজনকেই শিকার করেন রিসাদ। দিপু ৩১ ও মোসাদ্দেক ১২ রান করেন। পরে দ্রুত প্যাভিলিয়নে যুব দলের অধিনায়ক আকবর আলী ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ১২৫ রানে অষ্টম উইকেট হারায় তামিম একাদশ। ফলে দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে তামিম একাদশ।

কিন্তু সেটি হতে দেননি নিচের সারির ব্যাটসম্যান মেহদী। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে নবম উইকেটে ৯৫ রানের জুটি গড়েন নয় নম্বরে নামা এই ব্যাটসম্যান। টি-টোয়েন্টি মেজাজে ব্যাট করেন তিনি। মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে আউট হওয়ার আগে ৫৭ বলে ৮২ রান করেন তিনি। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে নয়টি চার ও তিনটি ছক্কার মার রয়েছে। ৪৩ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন তাইজুল।

আল আমিন হোসেন ৪৩ রানে তিনটি ও নাঈম হাসান ও রিসাদ আহমেদ দুটি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

তামিম একাদশ : ২২১/৯, ৫০ ওভার (মেহেদী ৮২, তামিম ৩৩, দিপু ৩১, আল-আমিন হোসেন ৩/৪৩)।

নাজমুল একাদশ : ১৭৯/১০, ৪৫.৪ ওভার (মুশফিক ১০৩, শুক্কুর ২৪, শরিফুল ৪/৩৭)।

ফল : তামিম একাদশ ৪২ রানে জয়ী।

All Right Reserved by © 2017-2020 | Privacy Policy |