মানিকগঞ্জে ভ্যানচালক হত্যার রহস্য উন্মোচন, আসামির স্বীকারোক্তি

55

মানিকগঞ্জের সিংগাইরের বায়রা ইউপির চাড়াভাঙ্গা এলাকার সাহনাইল চক থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয়সহ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে। শুক্রবার মো. খোরশেদ আলম খুশী নামে এক আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এ তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আনোয়ার হোসেন।

মামলা তদন্ত কর্মকর্তা আরো জানান, খুন হওয়া ব্যক্তির নাম বাবুল হোসেন। সে ঢাকার জেলার পার্শ্ববর্তী ধামরাই উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের সয়নালের ছেলে ও দুই সন্তানের জনক। পেশায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক। গত ৭ জুলাই সে নিজ এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। তার এক দিন পর সিংগাইরে সাহনাইল চকের বদর উদ্দিনের পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন থানায় অপমৃত্যুর মামলা দিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের পরিবার মর্গে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে।



গত বৃহস্পতিবার বাবুলের বড় ছেলে আল-আমিন সিংগাইর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার সূত্র ধরে নিহতের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ওই দিন বিকেলে ধামারাই উপজেলার কালামপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে হত্যার সঙ্গে জড়িত মো. খোরশেদ আলম খুশীকে গ্রেফতার করা হয়। সে সঙ্গে তার কাছ থেকে নিহতের ভ্যান গাড়ি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।



গ্রেফতার খোরশেদ আলম খুশী মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ডাউটিয়া গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। সে ধামরাইয়ের কালামপুর এলাকায় বাসা ভাড়ায় থাকতেন।



এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে ভ্যানচালক বাবুলকে মোবাইল ফোনে ডেকে আনে। তারপর সিংগাইর থানায় নিয়ে এসে কোমল পানীয় সেভেনআপের সঙ্গে ৮টি ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে হত্যা করে তার ভ্যানগাড়ি ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় খোরশেদ আলম খুশী। জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রওশন জাহানের আদালতে গ্রেফতার আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে বাবুল হোসেনকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।